ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা
দুর্নীতি ও বৈষম্য নিরসনে ৯ সদস্যের শুদ্ধাচার কমিটি কাজ করছে

এলজিইডিতে দুর্নীতির আখড়া

  • আপলোড সময় : ২৬-০৯-২০২৪ ১২:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৯-২০২৪ ১২:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
এলজিইডিতে দুর্নীতির আখড়া
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরে (এলজিইডি) হঠাৎ চাকরি স্থায়ীকরণের মহোৎসব শুরু হয়েছে।  অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের আত্তীকরণ করায় এলজিইডি ভবনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচিও করেন বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তারা। তারা আত্তীকরণের মাধ্যমে বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এলজিইডি ও এর আওতাধীন অফিসগুলোতে দুর্নীতিমুক্ত এবং বৈষম্যহীন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘শুদ্ধাচার কমিটি’ গঠন করা হয়। ৯ সদস্যের এ কমিটিতে এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীকে আহ্বায়ক এবং একজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। ওই ৯ সদস্যের কমিটি কাজ করছে।
ওই কমিটির অন্য সাতজন সদস্য হলো-অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশীদ মিয়া, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম, আবু সালেহ মো. হানিফ, নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রকিউরমেন্ট) মো. গোলাম ইয়াজদানী, উপপ্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রউফ ও নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রশাসন) মো. আবু হানিফ মৃধা। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. আলি আখতার হোসেনের সই করা অফিস আদেশে এ কমিটি গঠন করা হয়। শুদ্ধাচার কমিটির কার্যপরিধি কী হবে, তা-ও অফিস আদেশে জানানো হয়েছে।
এলজিইডিতে চলমান বৈষম্য চিহ্নিতকরণ ও তা নিরসনে সুপারিশ, দুর্নীতিমুক্ত কর্মপরিবেশ গঠনে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সুপারিশ এবং অভিযোগ যাচাইবাছাই করণীয় বিষয়ে সুপারিশ করতে পারবে এ কমিটি। এছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণ বিধিমালা পরিপন্থি কার্যক্রম চিহ্নিত করে করণীয় বিষয়ে সুপারিশ এবং প্রধান প্রকৌশলীর দেয়া দায়িত্বগুলো যথাযথভাবে পালন করতে হবে কমিটির সদস্যদের।
অপর একটি সূত্র জানায়, দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। পৌরবাসীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ৬৪ জেলার ২৮১টি পৌরসভায় অবকাঠামো উন্নয়ন (২য়পর্যায়ে) ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয়। এ প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল ৩ হাজার ৪৬৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির প্রতিটি পৌরসভার জন্য ১৪ কোটি টাকা। দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটির জন্য ১০ কোটি এবং তৃতীয় শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটির জন্য ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। অফিসের কাগজপত্র কেনার জন্য ছিল ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। শুরুতে এই প্রকল্পের পরিচালক ছিলেন কাজী মিজানুর রহমান। ওই সময়ও হিসাবরক্ষক ছিলেন তরিকুল। তিনি ১৮ বছর ধরে এই পৌরসভার প্রকল্পে লুটপাট চালিয়ে আসছেন। প্রকল্পটি পৌরসভার অধীনে বাস্তবায়ন শুরু হয় ২০১৮ সালের এপ্রিলে। তখন থেকে এই হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে যোগসাজশে পৌরসভা থেকে ৩ শতাংশ করে টাকা সংগ্রহ করতে থাকেন। একপর্যায়ে বিষয়টি তখনকার প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের নজরে আসে। তিনি তখন তরিকুলকে আগারগাঁও অফিস থেকে দোহারে হিসাবরক্ষক হিসেবে বদলি করেন। এর কিছুদিন যেতে না যেতেই ওপর মহলে তদবির করে তিনি আবার আগের জায়গায় ফিরে আসেন।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স